হোম ইসলামের কথা ফাতিমা (রাঃ) কে মা ফাতিমা বলে সম্বোধন করা কোরআন বিরুধী কাজ

ফাতিমা (রাঃ) কে মা ফাতিমা বলে সম্বোধন করা কোরআন বিরুধী কাজ

নিজস্ব প্রতিবেধন 31 Dec, 2020 11:48 AM

ফাতিমা-(রাঃ)-কে-মা-ফাতিমা-বলে-সম্বোধন-করা-কোরআন-বিরুধী-কাজ-2020-12-31-5fed661f408fe.png

অনেক কেই হযরত ফাতিমা রাঃ কে সম্বোধন করতে গিয়ে মা ফাতিমা বলে সম্বোধন করতে শুনা যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, হযরত ফাতিমা রাঃ কে মা ফাতিমা বলে সম্বোধন করা সম্পূর্ণ কোরআন বিরুধী কাজ? আর কোরআন বিরুধী কাজ মানেই হারাম। 

শুধু মাত্র রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্ত্রীগণ আমাদের মুসলমান জাতির মা। যেমনঃ মা আয়েশা রাঃ।  এ মর্মে সূরা আহযাব-আয়াত-৬ নং আয়াতে এই বিষয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন,

 النَّبِيُّ أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ وَأَزْوَاجُهُ أُمَّهَاتُهُمْ وَأُولُو الْأَرْحَامِ بَعْضُهُمْ أَوْلَى بِبَعْضٍ فِي كِتَابِ اللَّهِ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُهَاجِرِينَ إِلَّا أَنْ تَفْعَلُوا إِلَى أَوْلِيَائِكُمْ مَعْرُوفًا كَانَ ذَلِكَ فِي الْكِتَابِ مَسْطُورًا (৬)

অর্থ- “নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের মাতা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মুমিন ও মুহাজিরগণের মধ্যে যারা আত্নীয়, তারা (পৈত্রিক সম্পত্তি বণ্টনে) পরস্পরে অধিক ঘনিষ্ঠ। তবে তোমরা যদি তোমাদের বন্ধুদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য করতে চাও, করতে পার। এটা লওহে-মাহফুযে লিখিত আছে।” 

ব্যাখ্যাঃ পোষ্যপুত্র ও পালক পিতার মধ্যে প্রকৃত পিতা-পুত্রের সম্পর্ক স্থাপিত হয় না বলে তাদের মধ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি বিনিময় বৈধ নয়। অর্থাৎ পালকপুত্র কখনো কৃত্রিমভাবে তৈরি সম্পর্কের ভিত্তিতে কোনো সম্পদের উত্তরাধিকারী হবে না। পৈত্রিক সম্পত্তিতে শুধুমাত্র প্রকৃত সন্তানদের অধিকার রয়েছে।  এরপর আজকের এ আয়াতে বলা হচ্ছে: এমনকি বিশ্বনবী (সা.) যিনি মুসলমানদের পিতাস্বরূপ এবং তাঁর স্ত্রীগণ যারা মুসলমানদের মায়ের মতো তারাও কারো সম্পদের উত্তরাধিকারী হবেন না। তাদের সম্পদেও কোনো মুসলমানের অধিকার নেই।

উপরিউক্ত তথ্যের ভিত্তিতে বলা যায়, হযরত ফাতিমা রাঃ মা ফাতেমা বলা যাবে না। এটি পুরোপুরি হারাম। মূলত, এটি শিয়াদের আকিদা। এই আকিদা শিরকি আকিদা। সাবধান, দূরে থাকবেন। শিয়ারা পাক পাঞ্জাতন বিশ্বাসী। প্রশ্ন হতে পারে, পাক পাঞ্জাতন কি? পাক পাঞ্জাতন হলো, শিয়ারা/আহল বাইতের মধ্য থেকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (রা)-কে একত্রিত করে এবং পাঁচজনের একত্রিত করে বিশেষ মর্যাদা জ্ঞাপক করে। এটি একটি বানোয়াট ও মিথ্যা কথা। যা পাক-পাঞ্জাতন- নামে প্রচলিত আছে। পাক-পাঞ্জাতন- বিষয়ক সকল কথা বানোয়াট ও জঘন্য মিথ্যা কথা।


আরও :

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

আরও সংবাদ