হোম বাংলার সংবাদ দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতিতে দূর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ

দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতিতে দূর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ

মোঃ জুয়েল হোসেন || জেলা প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ 13 May, 2021 2:55 PM

দ্রব্যমূল্য-ঊর্ধ্বগতিতে-দূর্ভোগে-নিম্ন-আয়ের-মানুষ-2021-05-13-609ce98c4125f.jpg

সম্প্রতি লকডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির স্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবন চরম দুর্ভোগে। অধিকাংশ দ্রব্যের মূল্যে ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে গেছে নিম্ন আয়ের মানুষের।

দেশে চলমান লকডাউন পরিস্থিতিতে অস্বাভাবিক মূল্যে বৃদ্ধির মূলে মুনাফাখোর মজুতদার ব্যবসায়ীরা। চলমান লকডাউন পরিস্থিতিকে পুঁজি করে অধিক মুনাফা অর্জনের নেশায় তারা দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু নীতিমালা ও তদারকির অভাবে বাজারে দ্রব্যমূল্যের ‍উর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে মনে করছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। অথচ এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ এখনও পরাহত। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল। 

অপ্রত্যাশিত দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি এদেশে নতুন কিছু নয়। প্রতিনিয়ত বাজারে ঢুকলে মানুষ শুনতে পারছে মূল্যবৃদ্ধির খবর। কি কারণে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি? সে খবর সবার অজানা। অথচ বিশ্বে যে কোন দেশে এমন হলে জনতা তাৎক্ষণিক ভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ছে। এতে জনসাধারণের নিকট সরকারকে জবাবদিহিতাও করতে হয়। অথচ আমাদের দেশে তা কল্পনাই করা যায় না। দেশের মানুষ বিষয়টিকে প্রথাগতভাবে মেনে নেয়ায় সংশ্লিষ্টরাও এ ব্যাপারে দায়মুক্ত থাকছে। ফলে লাভের অংক ভারী হচ্ছে কিছু মুনাফাখোর অসাধু ব্যবসায়ীর। উৎপাদিত পণ্য বাজারে প্রতিযোগিতায় হার মানছে আর নীতিভূষ্ঠ সম্প্রদায় এসব সমস্যায় ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে তৎপর।

অসাধু ব্যাবসায়ী কখনো কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে, আবার কখনো লোক চক্ষুর আড়ালে কৃত্রিম সঙ্কটের শূন্যতাও পুরণ করছে। পাশাপাশি লাগাম বিহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনসাধারণের ক্রয় ক্ষমতাও হ্রাস পাচ্ছে। যার জন্য দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী বলে মনে করছেন সাধারণ ক্রেতারা। কেননা, আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বাজার ব্যবস্থা যে কোন দেশের সরকারের কাছে তার দেশের মানুষের প্রাণের দাবী।

সরেজমিনে বুধবার (১২ মে) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন বাজার পরিদর্শন কালে ক্রেতারা জানান, বর্তমান লকডাউন কিছুটা শিথিল করলেও এখন বাজারে বেশিরভাগ পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সীমিত আয়ের মানুষের জিবন ধারণ খুব কষ্ট হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার এক বাসিন্দা জানান, যে মালিকের কাজ করি গত মাসের বেতন পাইনি। এমন পরিস্থিতিতে নিত্যপণ্যর দাম বেড়েছে। এখন ব্যাংক থেকে জমানো টাকা উঠিয়ে বাজার করতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমরা বাজার মনিটরিং করছি,পাশাপাশি বাজারে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নজরদারি রয়েছে। কোন অসাধু ব্যবসায়ী মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃস্টি করলে বা অনাকাঙ্ক্ষিত মূল্যে বৃদ্ধি করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও :

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

আরও সংবাদ