হোম বাংলার সংবাদ পবিপ্রবি'র প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার,শিক্ষার্থীদের ঘৃনা ও তীব্র নিন্দা

পবিপ্রবি'র প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার,শিক্ষার্থীদের ঘৃনা ও তীব্র নিন্দা

ইয়াসির আরাফাত, পবিপ্রবি প্রতিনিধি 19 Jan, 2021 2:45 PM

পবিপ্রবি-2021-01-19-60069c408a4f7.jpeg

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামান স্যারের সার্টিফিকেট নিয়ে অপপ্রচার করছে বিপথগামী স্বার্থান্বেষী কতিপয় গোষ্ঠী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমার জানা মতে প্রফেসর ড.হারুন অর রশীদ স‌্যার ও প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামান স‌্যার দুজনই সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রা‌শিয়া) থেকে লেখাপড়া ক‌রেছন। তাহাদের দুজ‌নের সা‌র্টিফি‌কেট একই। যেখানে প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদ স‌্যার পবিপ্রবিতে ৪ বছর ভাইস চ‌্যান্সেলর হি‌সে‌বে দা‌য়িত্ব পালন ক‌রে‌ছেন তখন এবিষয় নি‌য়ে আমরা কোন কথা শুনি নাই। তাহ‌লে এটা স্পষ্ট যে, প্রফেসর আ.ক.ম মো‌স্তফা জামান স‌্যার কিছু কিছু মানু‌ষের ব‌্যা‌ক্তিগত আক্রোশের শিকার হ‌চ্ছেন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হয় প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামান স্যারের সাথে। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান প্রফেসর মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদ পবিপ্রবিতে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনিও আমার ক্লাসমেট আমরা একই সাথে পড়াশোনা করেছি। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৮০/৯০ জন প্রফেসর রয়েছে যারা একই স্টাইলে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পড়াশোনা করে সার্টিফিকেট অর্জন করেছেন।"

তিনি আরো বলেন, এগুলো আসলেই বাজে কথা এবং হিংসাত্মক মন মানসিকতা নিয়েই কতিপয় কিছু মানুষ মিথ্যাচার করছে। আমি যখন লেকচারার হিসেবে জয়েন করেছিলাম তখন থেকেই সার্টিফিকেট ভেরিফিকেশন হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এখন প্রফেসর হিসেবে নিযুক্ত আছি। কারো কারো মনে হয়েছে এসব আজেবাজে কথা লিখে কিছু করা যাবে তাহলে তো প্রফেসর মিজানুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মাহমুদ সম্পর্কেও লেখা উচিত।

অন্তত ছয় বা সাত হাজার বাংলাদেশি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে লেখাপড়া করে বহু জায়গায় কর্মরত আছেন, তাদের সম্পর্কেও লেখা উচিত। বর্তমানে যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে সেখানেও অনেকই কর্মরত আছেন। এগুলো নিয়ে যারা সন্দেহ করে তারা তো বাংলাদেশকে অস্বীকার করে কারণ এটা বাংলাদেশ সরকার থেকে এগুলো স্বীকৃত। কেউ কেউ হয়তো আমার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়তো আমাকে অপছন্দ করে যার কারণে এমনটা করছে। তবে এটি করলে তো ৩০ বছর আগেই করা উচিত ছিল আজকে কেন? যারা এমনটা করেছে তারাই হয়তো ভাল জানেন। তবে কেউ যদি সামনে এসে বলেন তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আমি প্রস্তুত। 

উল্লেখ্য যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বে থাকার পরেও প্রফেসর আ.ক.ম মোস্তফা জামান স্যারকে কোনো কলঙ্ক কখনো স্পর্শ করতে পারেনি, তাকে নিয়ে বিভিন্ন ফেইক ফেসবুক আইডি এবং নানা মাধ্যমে যারা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে তাদের এই নোংরামির প্রতি অনেক ঘৃণা এবং এর তীব্র নিন্দা জানাই। এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। শ্রদ্ধেয় এই শিক্ষাগুরুর প্রতি জানাই অনেক কৃতজ্ঞতা, মহান আল্লাহ তায়ালা প্রিয় স্যারকে সুস্থতার সাথে অনেক হায়াত দান করুন।


আরও :

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

আরও সংবাদ