হোম বাংলার সংবাদ পাশের সিটের যুবতী যাত্রীকে দেখিয়ে নিজের গোপনাঙ্গে হাত,ভিডিও ভাইরাল

পাশের সিটের যুবতী যাত্রীকে দেখিয়ে নিজের গোপনাঙ্গে হাত,ভিডিও ভাইরাল

অনলাইন ডেস্ক 13 Jan, 2021 5:11 PM

পাশের-সিটের-যুবতী-যাত্রীকে-দেখিয়ে-নিজের-গোপনাঙ্গে-হাত,ভিডিও-ভাইরাল-2021-01-13-5ffed55cb4aa0.png

ওয়েলকাম পরিবহনের বাসে এক মহিলা যাত্রীর পাশের সিটে বসে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির পাশাপাশি নিজের গোপনাঙ্গে হাত দিয়ে অশ্লীলতা প্রকাশ করে গনপিটুনি খেয়েছেন এক ব্যক্তি। যার একটি ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ওই ভুক্তভুগি যুবতী। 

গতকাল তিনি তাঁর আইডিতে সেই ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে  ভিডিওটি শেয়ার করেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর অভিমত ব্যক্ত করেন। নিচে তাঁর পোস্টি তুলে ধরা হলো-

পোস্টে ওই ভুক্তভুগী লিখেন, 

''এখন ভাইরাল না হলে সবই ধামাচাপা পড়ে যায়! আলোচিত আনুশকা দিহানের ভীড়ে হয়তো অজানা থেকে যাচ্ছে এমন কত শত পাশবিক ধর্ষক! এই লোক কে কেউ চেনেন?

তার সন্তান বয়সী মেয়ে দেখে যখন লোভ সামলাতে পারেনি , তার কাছে তার মা বোন মেয়ে কেউ নিরাপদ না। তাদের সতর্ক করে দিবেন। ব্যাসিকালি আমরা এমন একটা সমাজে বাস করছি যেখানে মেয়েরা কোথাও, কারও হাত থেকে নিরাপদ না!

গতকাল সন্ধ্যায় আমি ওয়েলকাম পরিবহনের বাসে করে সাভার ক্যাম্পাস থেকে নারায়নগঞ্জ ফিরছিলাম, এসব পথে রোজ অনেক মা বোন চলে..

এই সামাজিক কীট, পার্ভাটটা আমার পাশের রো এর সীটে বসা ছিলো। এর মাঝে বিভিন্ন বাহানায় আমার সাথে কথা বলতে আসে, আর বার বার পাশ ফিরে তাকাচ্ছিল। যেহেতু বয়স্ক লোক আমি খারাপ কিছু চিন্তা করতে পারিনি তখনও।

সম্ভবত শ্যামলী আসার পর নিজের পাশের সীট ফাঁকা থাকা সত্বেও আমাকে চাপতে বলে, সে আমার পাশে বসবে। এরপর আমি বিরক্তির সুরে বললাম কেন আপনার এখানে তো ফাঁকাই, সমস্যা কী?

তখনই ওর মুখের নোংরা চাহনি দেখে আমার সন্দেহ হয় আর তাকিয়ে দেখি সে এসব নোংরা হস্তকর্ম চালাচ্ছে।

ঘটনার আকস্মিকতায় কয়েক মিনিট হতভম্ব হয়ে ছিলাম আর হাত-পা কাঁপছিলো। এসব কীটকে ছেড়ে দেওয়া মানে পরের বার বড় কিছু করে ফেলতে এদেরকে আরো সাহস দেয়া , এই ভেবে নিজেকে শক্ত করি। এরপর কৌশলে ভিডিও রাখি প্রমাণস্বরুপ।

এরপর যেয়ে আমি জিজ্ঞাসা করলাম আপনার সমস্যা কী , কি করছেন এসব!এর মাঝে বাসের কয়েকজন উঠে আসছে, তাদের আমি ভিডিওটা দেখাই আর কীটটাকে ধরার পরেও সে অস্বীকার করে যাচ্ছিল। বয়স বিবেচনা করে মারতে চাচ্ছিল না কেউ, ঘেন্নায় রাগে আমি নিজেই কয়েকটা চড় থাপ্পড় আর লাথি মারি। এরপর বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

একে আরও অনেক কিছু করা উচিত ছিল কিন্তু আমি তখন কিছুটা ট্রমাটাইজড ছিলাম , তাই বেশি কিছু চিন্তা করতে পারছিলাম না , এখনো খেতে বা স্বাভাবিক হতে পারছিনা।

আপুরা বা আপনাদের মা বোনরা যে কখনো বাসে এই ধরনের ঘটনার শিকার না হন , যদি আমার মতো দিন দেখতে হয় কেউ প্লিজ চুপ থাকবেন না, নিজের জায়গা থেকে সাধ্যমতো প্রতিবাদ করুন , কারণ আমরা চুপ থাকতে থাকতেই এদের সাহস এত গগনচুম্বী হয়ে গেছে যে , পাব্লিকলি এসব নোংরামি করতেও গায়ে বাঁধে না, এভাবেই ধর্ষণের মত ঘটনাগুলো ঘটে..

ডিএসই হোক প্রতিরোধ ৯৯৯ কার্যক্রমের মাধ্যমে সারা দেশ জানে জরুরি হেল্প লাইন নাম্বার সম্পর্কে, তখন নিজেরও ইচ্ছা ছিলো এ কার্যক্রমে যুক্ত হবার, কিন্তু কখনোই ভাবিনি নিজেই এই পরিস্থিতির শিকার হয়ে এমন পোস্ট লিখতে হবে একদিন! সামনে কার পালা জানিনা, গণপরিবহনে নিরাপদে থাকবেন।''

অশ্লীলতা আর মন মানসিকতা কোথায় গিয়ে পৌছলে একজন মানুষের পক্ষে এসব করা সম্ভব সেটাই এখন চিন্তার বিষয়। 

 


আরও :

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

আরও সংবাদ