হোম বাংলার সংবাদ বানিয়াচংয়ে আবারো ছান্দ প্রথার কোপানলে পড়ে সমাজচূত্য হলেন যুবলীগ নেতা।।

বানিয়াচংয়ে আবারো ছান্দ প্রথার কোপানলে পড়ে সমাজচূত্য হলেন যুবলীগ নেতা।।

আকিকুর রহমান রুমন 21 Feb, 2021 7:51 PM

বানিয়াচংয়ে-আবারো-ছান্দ-প্রথার-কোপানলে-পড়ে-সমাজচূত্য-হলেন-যুবলীগ-নেতা।।-2021-02-21-6032654504792.JPG

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ছান্দ প্রথার কোপানলে পড়েছেন যুবলীগ নেতা অলফুজুর রহমান খান। বিদ্যালয়ের সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের কারনে ছান্দ সর্দারের ঘোষনায় সমাজচূত্য ঘোষনা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী অলফুজুর রহমান খান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে সমাজচূত্য ও প্রাণ নাশের হুমকির অভিযোগে ২১ ফেব্রুয়ারী একটি অভিযোগপত্র দায়ের করেছেন। সমাজচূত্যির ঘটনাটি ঘটেছে ২০ফেব্রুয়ারী শনিবার সকাল ১১টায় বানিয়াচং উপজেলার ২নং উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নের সৈদরটুলা গ্রামে।

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়,বানিয়াচং উপজেলার তোপখানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমিতে নতুন বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ চলমান আছে। বিদ্যালয়ের জমির পাশেই অভিযোগকারী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি অলফুজ খানের পারিবারিক জমি রয়েছে।বিল্ডিং নির্মাণ করাকালে অলফুজুরের জমিতে বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের একাংশের কলাম স্থাপন করায় তিনি ঠিকাদারকে কাজ করতে বাধা প্রদান করেন। অলফুজুর রহমান খান বাধা প্রদান করায় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিঠির সভপতি আসাদ খান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হামলা করে আহত করেন।

পরবর্তীতে এ বিষয়ে ছান্দের(সাতটি মহল্লা মিলে গঠিত হয় ছান্দ)পঞ্চায়েত ডাকা হয়। ছান্দ সর্দার এনামূল হোসেন খান বাহার,সর্দার আবু তালেব তালহা, জামায়াত নেতা ইকবাল বাহার খান সহ কতিপয় লোক এক তরফাভাবে অলফুজুর রহমান খানের উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে তাকে মহল্লার সদস্য পদ থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কার ঘোষনা করেছেন।এছাড়াও তাকে হাট-বাজারে ও রাস্তাঘাটে নিষিদ্ধ ঘোষনা করার পাশাপাশি মহল্লার ফান্ডের টাকা থেকেও বঞ্চিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।সে যেমন কারো সংগে কথা বলতে পারবেনা ,তেমনি সেও যাতে কারো সাথে কথা না বলে সে জন্য জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী অলফুজুর রহমান খান জানান,আমি নিরীহ একজন মানুষ।আমার দাদার দান করা জমিতে বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশের জমিটিও আমাদের পরিবারের।নতুন করে বিল্ডিং তৈরি করার সময় ঠিকাদার ইচ্ছাকৃতভাবে আমার জমিতে কলাম স্থাপন করায় আমি প্রতিবাদ করেছি।অথচ মহল্লা ও ছান্দবাসী অযথা আমাকে সমাজচূত্য করা সহ প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে।আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যপারে ছান্দ সর্দার এনামূল হোসেন খান বাহারের সাথে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নাই।২১ শে ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা ৬টায় তিনি মোবাইল রিসিভ করে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে পরে কথা বলবেন বলে লাইনটি কেটে দেন। পরে আর তিনি মোবাইল রিসিভ করেন নাই। উল্লেখ্য যে, সৈদরটুলা ছান্দে প্রতি বছরই একাধিক লোককে সমাজচূত্য করা হয়ে থাকে বলেও জানাযায়।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা'র বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন,অভিযোগ পেয়েছি।বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।


আরও :

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

আরও সংবাদ