হোম বাংলার সংবাদ বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ।।

বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ।।

আকিকুর রহমান রুমনঃ-(হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি) 12 Jun, 2021 5:49 PM

বানিয়াচংয়ে-মাদ্রাসা-ছাত্রীর-ঝুলন্ত-লাশ।।-2021-06-12-60c4914b8eb98.jpg

বানিয়াচং উপজেলা সদরের ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ নন্দী পাড়ায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীর ঘরে গলায় ফাঁশি লাগিয়ে আত্বহত্যা করার দৃশ্যটি দেখতে পান মা।

তিনি এমন দৃশ্য দেখার সাথে সাথে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে জুড়ো হয়।এসময় মা মেয়েকে বাঁচাতে ফাশ দেয়া ওড়নাটি কেটে ফেলেন। এমনকি মা সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত লোকজন নিয়ে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে নিয়ে যান। এবং সেখানে হাসপাতালে কর্তব্যরত মহিলা ডাক্তার জাহানারা আক্তার ভালো করে দেখা শুনা করেন।

এমনকি তিনিও বলেন হাসপাতালে আসার পূর্বেই ছাত্রীটির মৃত্যু হয়েছে বলে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে নিশ্চিত করেন। এদিকে হাসপাতালে এমন একটি ছাত্রীর গলায় ফাশ দিয়ে আত্বহত্যার বিষয়টি জানানো হলে।তিনি তাৎক্ষণিক বানিয়াচং থানার ওসি তদন্ত প্রজিত কুমারের নেতৃতে গৌতম রায়সহ একদল পুলিশ রাত দশটার দিকে হাসপাতালে থানায় আসেন। সেখানে গিয়ে তিনি লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশটি রাত সাড়ে ১২টার দিকে লাশটি হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেন কর্তব্যরত ডাঃ রাজীব ভট্টাচার্য।

এব্যাপারে অফিসার ইনচার্জ ওসি তদন্ত প্রজিত কুমার দাসের মুঠোফোনে রাত ১টা ৩৪ মিনিটে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,এমন একটি সংবাদ পেয়ে থানা থেকে পুলিশকে হাসপাতালে পাটিয়ে লাশটি উদ্ধার করে হবিগঞ্জে ময়না তদন্তের পাঠানোর জন্য থানায় আনা হয়েছে। তবে আগামীকাল ১২জুন শনিবার সকালে লাশটি হবিগঞ্জে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে হবে। তবে এখনো রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত প্রাথমিক ভাবে কোন কিছু বলতে পারছিনা। তবে তিনি প্রাথমিক ভাবে যেটা শুনেছেন,পিতৃহীন মেয়েটি নাকি স্হানীয় একটি মাদ্রাসার ছিল।এমনকি তার মা তাকে ঘরে পড়ার মধো একা রেখে পাশেই একটি বাড়িতে কাজ করতে গিয়েছিলেন।প্রায় অাধঘন্টা পরে এসে দেখতে পান তার মেয়ে গলায় ওড়না দিয়ে ফাশ লাগানো অবস্থায় ঝুলিয়ে আছে।পরে তিনি নিজেই কেটে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এবিষয়টি নিয়ে আমাদের টিম কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে ১১জুন শক্রুবার রাত সাড়ে আট ঘটিকায় ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ নন্দী পাড়ায়। এলাকাবাসী ও বিভিন্ন সূত্রে জানাযায়,মৃত আরজান মিয়ার কন্যার ঐ মাদ্রাসা ছাত্রী।তার একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রেখে যান।তার স্রী মেয়েকে নিয়ে একাই থাকতেন এবং বড় ছেলে থাকে প্রবাসে।

ঘটনার পূর্বে মেয়েটির মা যাদের বাড়িতে গিয়েছিলেন কাজ করতে ঐ বাড়িরই এক ছেলে গিয়ে বলছে তুমার মেয়ে ফাশ লাগিয়ে মারা গেছে.! আবার কেউ কেউ বলছেন তিনি বাড়িতে এসে দরজা খুলে এই অবস্থা দেখেন। তাহলে যেই ছেলেটি গিয়ে সংবাদ দিল মেয়ের মাকে সে জানলো কিভাবে বা দেখলো কিভাবে এনিয়ে রহস্য নানান আলাপ-আলোচনা শুনা যাচ্ছে লোকমুখে। এ মৃত্যু নিয়ে নিয়ে এলাকায় রহস্যর সৃষ্টি হয়েছে।


আরও :

আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন

আরও সংবাদ